ইউরোপীয় কমিশন জানিয়েছে, ইইউ-র গবেষণা ও উদ্ভাবন কর্মসূচি হরাইজন ইউরোপের সঙ্গে ভারতের যুক্ত হওয়া নিয়ে ইইউ ও ভারতের আলোচনা শেষ হয়েছে। ইইউ ও ভারত প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া সম্পূর্ণ করার পর এই সংযুক্তির চুক্তি স্বাক্ষর করা যাবে।

ভারতের গবেষক ও সংস্থাগুলি চুক্তি স্বাক্ষর এবং উভয় পক্ষের প্রক্রিয়া শেষ হওয়ার পরেই হরাইজন ইউরোপের তহবিলে সরাসরি আবেদন করতে এবং পিলার II-এর অধীনে যৌথ প্রকল্পে নেতৃত্ব দিতে পারবে। 2027 সালের জানুয়ারি থেকে এই সংযুক্তি শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে, তবে বিজ্ঞপ্তিতে চুক্তি স্বাক্ষরের নির্দিষ্ট তারিখ দেওয়া হয়নি।

হরাইজন ইউরোপের সঙ্গে যুক্ত দেশগুলির সংস্থাগুলি তাদের চুক্তির আওতায় থাকা অংশগুলিতে ইইউ-র সংস্থাগুলির মতো একই শর্তে অংশ নিতে পারে। যুক্ত দেশগুলিকে আর্থিক অবদান দিতে হয়। ভারত কত অর্থ দেবে, কোন নির্দিষ্ট তহবিল আহ্বানে ভারতীয় আবেদনকারীরা আবেদন করতে পারবেন, অংশগ্রহণের সুযোগ আগের কোনও সময় থেকে কার্যকর হবে কি না, অথবা আবেদনকারীরা কীভাবে ও কোথায় তহবিলের জন্য আবেদন করবেন—বিজ্ঞপ্তিতে তা বলা হয়নি।

পিলার II স্বাস্থ্য, ডিজিটাল প্রযুক্তি, শিল্প, মহাকাশ, জলবায়ু, জ্বালানি ও জৈব-অর্থনীতিসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে বহুজাতিক গবেষণা ও উদ্ভাবন প্রকল্পে সহায়তা করে। ইউরোপীয় কমিশনের মতে, ভারতের সংযুক্তি ইউরোপীয় গবেষক, ব্যবসাপ্রতিষ্ঠান ও গবেষণা সংস্থাগুলির জন্য ভারতীয় অংশীদারদের সঙ্গে কাজ করার আরও সুযোগ তৈরি করবে।

হরাইজন ইউরোপ 2021 থেকে 2027 সাল পর্যন্ত চলবে এবং এর বাজেট €93.5 বিলিয়ন। ইউরোপীয় কমিশনের তথ্য অনুযায়ী, বর্তমানে ইইউ-র বাইরের 23টি দেশ এই কর্মসূচির সঙ্গে যুক্ত।

ইইউ ও ভারতের মধ্যে প্রাথমিক আলোচনা শুরু হয় 6 ফেব্রুয়ারি 2026। এরপর 17 জুলাই 2026 আনুষ্ঠানিক আলোচনা শুরু হয়। বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতা নিয়ে তাদের বৃহত্তর চুক্তিটি 2001 সালে স্বাক্ষরিত হয়েছিল এবং সেটির মেয়াদ 2030 সাল পর্যন্ত বাড়ানো হয়েছে। এই তথ্যগুলি ইউরোপীয় কমিশনের প্রকাশিত সরকারি বিজ্ঞপ্তি থেকে নেওয়া হয়েছে, যা 06 নভেম্বর 2026 05:15 অপরাহ্ণ IST-তে পোস্ট করা হয়।